https://www.facebook.com/shirsokhabor/
Tuesday , 9 April 2024 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

লংগদুতে মরা মুরগী বিক্রেতা পুলিশ কতৃক মুচলেকার বিনিময়ে পেয়েছে দায়মুক্তি

বিপ্লব ইসলাম,লংগদু উপজেলা প্রতিনিধিঃ

দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে অধিক মুনাফা লুফে নেয়ার চেষ্টায় মগ্ন সারাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। তারা মানুষের বিশ্বাস ও সরলতাকে পুঁজি করে প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে যাচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। ঠিক এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি লংগদুতেও। ঘটেছে মৃত মুরগীর মাংস বিক্রি করার মতো ঘটনাও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসেও থেমে নেই এক অসাধু পল্ট্রি ব্যবসায়ী। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরগী মারা গেলে, ওই মুরগী ফ্রিজে রেখে ক্রেতাদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছেন তিনি। এমনই অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের পল্ট্রি বিক্রেতা মোকসেদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোকসেদ দীর্ঘদিন ধরে ব্রয়লার মুরগীর ব্যবসা করে আসছে। অধিক তাপদাহে কিছুদিন যাবত তার মুরগীগুলো অসুস্থ ও মারা যাওয়ায় অগোচরে সে জবাই করে ফ্রিজে রেখে দেয়। সেখানে তা পঁচন ধরে যায় সেগুলো পরিষ্কার করে আবার ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। রোজার মাসে এমন অপরাধ মেনে নেওয়া যায় না বলে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রয়লার ব্যবসায়ী মোকসেদ মুঠোফোনে জানান, মুরগীগুলো যখন অসুস্থ হয়ে মারা যায়, তখন যিনি পরিষ্কার করে তাকে বলি ফেলে দিতে। কিন্তু যখন ফ্রিজ থেকে ভাল মুরগী বের করি তখন লোকজন দেখে বলে আমি মরা মুরগী বিক্রি করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মেয়ের জামাই বাড়িতে আসবে তাই দুইটা মুরগী জবাই করে ফ্রিজে রাখি। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পঁচন ধরে যায়।আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মৃত মুরগী বিক্রি করিনি। স্থানীয় এক পাহাড়িকে আমি এনিতেই দিয়েছিলাম। তিনি আরো জানান, মিথ্যা অভিযোগের কারণে আমাকে গুলশাখালী পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এমন কর্মকান্ড আর কখনো হবেনা মর্মে আমাকে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ চান মিয়া জানান, ফাঁড়ি পুলিশ তাকে মরা ব্রয়লার মুরগী বিক্রয়ের অভিযোগে ধরে নিয়ে যায়। পরে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিয়ে তাকে নিয়ে আসি।

গুলশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সত্য, আমার কাছ স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে। পরে গুলশাখালী ফাঁড়ি পুলিশ তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে ধরে নিয়ে যায় এবং পরে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে আমাদের হেফাজতে ছেড়ে দেয়।

এদিকে পবিত্র মাসেও এমন জঘন্য কাজ করায় বিচারের দাবী জানিয়েছে স্থানীয় নাগরিক ও সচেতন মহল।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

সড়কের পাশে পড়েছিল মেকানিকের মরদেহ

রাজশাহীর জুলেখা দুর্জয় প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নির্বাচনের আগে তিন চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপি

যুবলীগ নেতার কবজি বিচ্ছিন্ন, অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

গোবিন্দগঞ্জে দরবস্ত ইউনিয়নের কোমরপুরহাটে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে পথসভা অনুষ্ঠিত।।

গোমস্তাপুরে নিরাপদ খাদ‍্য বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মসূচির সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে নাশকতার আশঙ্কা ও বিস্ফোরক আইনে ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমারের বিরুদ্ধে কোচিং সেন্টার খুলে বাণিজ্যের অভিযোগ

ফেনীতে বিএনপি নেত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

সরিষাবাড়ীতে নির্বাচনী আচরন বিধি লংঘনের অপরাধে নৌকা ও ট্রাক প্রতিকের জরিমানা আদায়