রাজশাহী প্রতিনিধি:
কখনো স্বামী স্ত্রী আবার কখনো অফিস কলিগ এমন পরিচয়েই রাজশাহীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন একটি ভয়ংকর চক্র। যাদের পরিকল্পিত ফাঁদে পড়েছেন অনেকেই। আবার অনেকেই লোক লজ্জার ভয়ে আড়ালেই রয়েছেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই চক্রের নানা অপকর্ম। রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার ফারিয়া নামের এক নারী এই চক্রের মাস্টার মাইন্ড দুর্জয়ের রষাণলে পড়ে বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়েছিল। তিনি নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান তাবাসুম তন্নী ও জুলেখা নামের দুই নারীর সুত্র ধরে তার সাথে দুর্জয়ের পরিচয় হয় পরবর্তী সময়ে তিনি জানতে পারেন দুর্জয় নামের ব্যক্তির আসল বাড়ি পাবনায় তিনি এখন রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার জামালপুর এলাকার একাধিক বাড়িতে বসবাস করেন। দুর্জয়ের রয়েছে নারী সিন্ডিকেট যাদের দিয়ে তিনি বিত্তবান ব্যক্তিদের টার্গেট করে থাকেন। এই নারী সিন্ডিকেটের প্রধান হয়ে কাজ করেন তন্নী ওরফে তাবাসুম ও জুলেখা নামের দুই নারী। তাদের প্রতারণায় পড়ে ফারিয়া নামের সেই নারীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। সুত্র বলছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের একজন কাউন্সিলর এই চক্রের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।মতিউর রহমান নামের সেই কাউন্সিলর বলেন এই চক্রের সদস্য জুলেখা প্রথমে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সাথে দেখা করেন। তিনি বলেন পরবর্তী সময়ে আবারো দেখা করতে আসেন তাবাসুম নামের এক মেয়েকে নিয়ে এসেই বিভিন্ন ভাবে আমার নিকট একান্ত সময়ের আবদার করেন। তাদের এমন আচরণ দেখে সন্দেহ হলে তিনি খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন এরা একটা সিন্ডিকেট এভাবে প্রলোভনের মাধ্যমে ভিডিও তৌরি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়। তিনি তার কার্যালয়ে প্রবেশ করতে নিষেধ করেদেন তাদের। এর পরে সেই কাউন্সিলরের নামেও বদনাম করতে নানা চেষ্টা করেছে তারা শুধু প্রমানের অভাবে সেখানে ব্যার্থ হয়। রাজশাহী নগর পুলিশের একটি সুত্র বলছে এই চক্রের তিন সদস্য দুর্জয়, জুলেখা, ও তন্নী মাঝে মধ্যে দেশের বাহিরে ভ্রমন করে থাকেন। কখনো পুলিশের সদস্য কখনো সাংবাদিক আবার কখনো ভারতীয় হাই কমিশনারের নিকটতম ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে থাকেন। খবর নিয়ে জানা গেছে জুলেখার প্রকৃত জন্ম রাজশাহী নগরীর ভাটাপাড়া অঞ্চললে। একাধিক বিয়ে সহ নানা অভিযোগের কারণে সে এলাকা ছাড়া হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে স্বামী সাজিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। আরেক সদস্য তাবাসুম তন্নীর জন্ম মাদারিপুর অঞ্চলে সে বর্তমানে চন্দ্রিমা থানার জামালপুরে বসবাস করেন। অপর জন দুর্জয়ের বাড়ি পাবনার কাচারি পাড়ায়, বর্তমানে চন্দ্রিমা থানার জামালপুর পদ্মা আবাসিক এলাকায় একাধিক বাড়ির মালিক হয়ে একাধিক বাড়িতে বসবাস করেন। এই চক্রের অনুসন্ধান করতে গিয়ে একাধিক গণমাধ্যম কর্মী এই চক্রের দারা হয়রানির শিকার হতে গিয়ে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি রাফিকুর রহমান লালু, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক, সোহাগ আলী ও শাহিন নামের ৪জন সাংবাদিককে ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনার জন্ম দিয়েছেন এই চক্রের সদস্যরা। সংবাদ প্রকাশ হলে যে কোন ভাবে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেছেন তারা। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকদের হুমকির ঘটনা নিয়ে রাজশাহীতে কর্মরত সাংবাদিকরা ফুঁসে উঠেছেন।
বার্তা সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ-
মৌচাক,কালিয়াকৈর,গাজীপুর-১৭৫১
ইমেইলঃ shirsokhabor24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭১২১৫২৬৮৫
আমাদের পরিবারে যুক্ত হতে দ্রুত যোগাযোগ করুন