কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ
মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র দাখিল করলেও প্রতিকার মিলছেনা হারুন-অর-রশিদ নামে এক তিলের খাজা বিক্রেতার। উল্টো কিশোর গ্যাং দিয়ে জোরপূর্বক তার বসতবাড়ীর জমি দখলের পায়তারা করছেন বলে কুমারখালী উপজেলার ৬ নং চাপড়া ইউপির ১,২,৩ নং নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মাজেদা খাতুন। ভুক্তভোগী একই এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে । সে বাড়ি বাড়ি তিলের খাজা বিক্রি করেন ।
এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিক্রেতা হারান আলী কতৃক ৩৩৩৯/১৯৮৭ নং দলিলমূলে ক্রয়সূত্রে জয়নাবাদ মৌজার এস এ ৮১ নং দাগে ১২ শতক এবং বিক্রেতা পরিজান কতৃক ২৫৫৯/১১ নং দলিল মূলে ৪.২৬ শতক জমির মালিকানা প্রাপ্ত হন হারুনর রশীদের বাবা আব্দুল হামিদ। এমন কি তফশীলি জমির উপর উদ্ভব হওয়া কুমারখালী দেওয়ানী ১৩/১০ মামলার রায় ডিক্রী প্রাপ্ত হন আব্দুল হামিদ ২০১৮ সালে। গত ৩০/৩/২০১৫ তারিখে এ্যাড. মকসুদুল হক সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিজ্ঞ আদালতে কমিশন রিপোর্ট পেশ করেন। রিপোর্টে অঙ্কিত চৌহদ্দি মোতাবেক,ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদের জমির পাশে ৮৬ নং দাগে ইয়াজউদ্দীন(আব্দুল হামিদের বাবা) ও ৮৫ নং দাগে ইসমাইল হোসেনের (মামা),৯১ নং দাগে হারুনর রশিদের বাড়ি অবস্থিত। ৯৩ নং দাগের পশ্চিমে গড়াই নদী। খাস জমির খোড়া অজুহাত দেখিয়ে বালু দস্যূরা হারুনর রশীদের নামীয় বসত বাড়ীর আঙ্গিনা দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ক্রয়সূত্রে জমির মালিকানার দলিল ,মামলার রায় ডিক্রী,ডিসিআরসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে কুমারখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শাহিদুল ইসলাম গত ২৫/৯/২২ তারিখে উক্ত জমির নামজারী অনুমোদন দেন্ যার মিস কেস নং ৮৩/২১-২২ ,আর এস খতিয়ান ৪২৯ এবং দাগ নং ৯৩ এবং হোল্ডিং সংখ্যা ১৪৩৩। ভুক্তভোগী হারুনর রশীদ জানান, ভূমিদস্যূ মাজেদা খাতুন অত্যাচার শুরু করলে আইনগত সহায়তা করে ভগ্নিপতি কুমারখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শাহবুবুর রহমান ও চাচাতো ভাই ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক আল-আমিন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন মাজেদা খাতুন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। বসতবাড়ীর জমি বেদখলের আশঙ্কা ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানান ভুক্তভোগী হারুনর রশীদ।
বার্তা সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ-
মৌচাক,কালিয়াকৈর,গাজীপুর-১৭৫১
ইমেইলঃ shirsokhabor24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭১২১৫২৬৮৫
আমাদের পরিবারে যুক্ত হতে দ্রুত যোগাযোগ করুন