প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১৭, ২০২৬, ৬:৫৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৭, ২০২৬, ১০:৩৮ এ.এম
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল কি গোল্ডেন বুটে যোগ হয়?

বিশ্বকাপ শেষ হতে আর দুটি ম্যাচ বাকি। আগামী রোববার আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হবে ফাইনালে। তার আগের দিন হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচকে মোটেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন না কোচ থমাস টুখেল। আর্জেন্টিনার কাছে হেরে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না, ফ্রান্সের খেলোয়াড়রাও চায় না। সবাই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল।’
ম্যাচটি নিয়ে ইংল্যান্ড কোচের আগ্রহ না থাকলেও এটি গুরুত্ব অন্য কারণে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এই ম্যাচের গোলও যোগ হবে। আর বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে ভালোভাবে টিকে আছেন দুই দলের চার খেলোয়াড়— কিলিয়ান এমবাপে, হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম ও উসমান দেম্বেলে।
এমবাপে মেসির সমান আট গোল করে যৌথভাবে শীর্ষে। ফরাসি তারকার চেয়ে একটি বেশি অ্যাসিস্ট করে অবশ্য এগিয়ে আছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। সাত গোল করে দ্বিতীয় স্থানে আর্লিং হালান্ড। তার দল নরওয়ে ছিটকে যাওয়ায় ম্যানসিটি স্ট্রাইকারের জেতার কোনো সুযোগ নেই।
ইংল্যান্ডের বেলিংহাম ও কেন দুজনেই ছয়টি করে গোল নিয়ে তিনে। ফ্রান্সের উইঙ্গার দেম্বেলে ও স্পেন স্ট্রাইকার মিকেল ওয়ারসাবাল পাঁচটি করে গোল করেছেন। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স এই ম্যাচে কতটা শক্তিশালী দল নামান, তার ওপর ভিত্তি করে গোল্ডেন বুটের নিষ্পত্তি হতে পারে।
২০১৮ সালে একই ম্যাচে ইংল্যান্ড যখন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হয়েছিল, তখন থ্রি লায়ন কোচ গ্যারেথ সাউথগেট সেমিফাইনালে খেলা দল থেকে পাঁচটি পরিবর্তন এনেছিলেন। টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুট জয়ী কেইন ম্যাচ শুরু করলেও গোল করেননি।
এর আগে সাতজন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ী তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করেছিলেন। এর মধ্যে সাত জনের চারজনকেই পুরস্কারটি জিততে ওই ম্যাচে গোল করতে হয়েছিল।
জার্মানির থমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকার (১৯৯৮), ইতালির সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০) ও ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮)— প্রত্যেকেই এই ম্যাচ থেকে সুবিধা পেয়েছেন। তৃতীয় স্থানের ম্যাচে গোল করে তারা গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন।
পোল্যান্ডের গ্রেগর লাতো (১৯৭৪), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬) ও ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) পুরস্কারটি জিতেছিলেন এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে একই বছর গোল করেছিলেন। তবে ওই ম্যাচে গোল না করতে না পারলেও তাদের হাতেই উঠত গোল্ডেন বুট।
গোল্ডেন বুটের লড়াই
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা - আট গোল, চারটি অ্যাসিস্ট)
কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স - আট গোল, তিনটি অ্যাসিস্ট)
আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে - সাত গোল)
জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স - পাঁচ গোল, দুটি অ্যাসিস্ট)
মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন - পাঁচ গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
বার্তা সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ-
মৌচাক,কালিয়াকৈর,গাজীপুর-১৭৫১
ইমেইলঃ shirsokhabor24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭১২১৫২৬৮৫
আমাদের পরিবারে যুক্ত হতে দ্রুত যোগাযোগ করুন
Copyright © 2025-2026 শীর্ষ খবর. All rights reserved. Web Design: shirsokhabor media