
বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ইসরত হোসেন কচি তালুকদার।
জানা যায়, ইসরত হোসেন কচি তালুকদার ১৯৬৮ সালের ১৫ অক্টোবর বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের পূর্ব রহমতপুর গ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী তালুকদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলী হোসেন তালুকদার এবং মাতা রিজিয়া বেগম।
শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে রহমতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮৬ সালে সরকারি বরিশাল কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯৩ সালে সরকারি আবুল কালাম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
ছাত্রজীবনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে সরকারি আবুল কালাম কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে কাউন্সিলের মাধ্যমে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০১৮ সালে পুনরায় একই পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০২২ সালে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি একাধিক মামলার আসামি হন। তবে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রহমতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মোহনগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রার্থীদের একজন হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ইসরত হোসেন কচি তালুকদার।
ইসরত হোসেন কচি তালুকদার বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং নেতাকর্মীরা সমর্থন করেন, তাহলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হব, ইনশাআল্লাহ। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় মনোনয়ন, তৃণমূলের সমর্থন এবং জনসম্পৃক্ততাই প্রার্থী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাবুগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা জোরালো হচ্ছে।
বার্তা সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ-
মৌচাক,কালিয়াকৈর,গাজীপুর-১৭৫১
ইমেইলঃ shirsokhabor24@gmail.com
মোবাইলঃ ০১৭১২১৫২৬৮৫
আমাদের পরিবারে যুক্ত হতে দ্রুত যোগাযোগ করুন