কক্সবাজার,জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার।
জাতীয় শ্রমিক লীগ একটি বৃহত্তম সংগঠন, যেটা দেশের সফল রাজনৈতিক নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে ১৯৬৯ সালে গঠন করেছিলেন। সেই সংগঠনের নিয়ম বা গঠনতন্ত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিলুপ্ত কমিটির সাবেক আহবায়ক আবদুল খলিল চৌধুরী ও সাবেক সদস্য সচিব হাজী কফিল উদ্দিনের বিরুদ্ধে।তারা নিজের পারিবারিক সংগঠনের মত করে কমিটি বানিজ্য শুরু করেছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বর্তমান জাতীয় শ্রমিকলীগ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক হাজী শামশুল আমিন।
অভিযোগে বলেন ২৮-০৮-২০১৫ সালে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয় ততকালীন টেকনাফ উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি শাহজাহান মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ। পরবর্তী সময়ে সেটা বিলুপ্ত করার পর আর কোন কমিটি দেয়া হইনি।গত কক্সবাজার পৌর নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কক্সবাজার জেলা শাহেদুল আলম রানা আহবায়ক ও সদস্য সচিব হিসেবে ফয়সাল চৌধুরী কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি।সেই কমিটি টেকনাফ উপজেলায় ২১ জন বিশিষ্ট নতুন করে আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়, শাজাহান মিয়া আহবায়ক ফয়েজ উদ্দীন জিকু সদস্য সচিব। পরবর্তী আাবার টেকনাফ উপজেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়,ততকালীন জেলা কমিটি। তখন টেকনাফ উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি শাহজাহান মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উদ্দীন জিকুর যৌথ সাক্ষরিত কমিটি হোয়াইক্যং ইউনিয়ন কমিটির অনুমোদন দেয়, হাজী শামসুল আমিন আহবায়ক, বদি সদস্য সচিব। কিন্তু সাবেক আহবায়ক আবদুল খলিল চৌধুরী এ পর্যন্ত কোন কমিটির সদস্য ও নাই।তাহলে সে কিভাবে কমিটি অনুমোদন দেয়,এবং সভাপতির ছবি দিয়ে অতিথি করে কমিটি অনুমোদন দেয়। এটা শ্রমিক লীগের সংবিধান অনুযায়ী কি বলে জাতীয় শ্রমিক লীগ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চাই।
উল্লেখ্য আবদুল খলিল চৌধুরী কিভাবে প্রকাশ্য দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙে কমিটি অনুমোদন দেয় এবং দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।সেই বিষয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ভাল জানেন।।



















