কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
আগামী সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে দলীয় শৃঙ্খলা ও দলকে গতিশীল করতে প্রতিটি দলীয় নেতৃবৃন্দ যখন মাঠে কাজ করে আসছিলেন, ঠিক তখনি কিছু কুচক্রী মহল দলের বদনাম ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের বদনাম করানোর জন্য উঠে পড়ে লেগে আছে, তার মধ্যে আব্দুল খলিল চৌধুরী একজন ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাবেক আহবায়ক।
দীর্ঘদিন দলে কাজ করে আসা নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিজের অপকর্ম ঢাকানোর জন্য দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে উপজেলা সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে তোয়াক্কা না করে নিজের মতো করে হোয়াইকং ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের বিভিন্ন কমিটি বাণিজ্য শুরু করেছেন।
যদিও সে কোন কমিটিতে পদ পদবীতে নেই। হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের বর্তমান আহ্বায়ক হাজী শামসুল আমিন বলেন উপজেলা সভাপতির সাথে আমি কথা বলেছি এবং সাধারণ সম্পাদকের সাথেও কথা বলেছি, কথা বললে ওনারা বলেন সে কোন দলের কমিটিতে নাই, যা করতেছে সম্পূর্ণ দলের নিয়ম নীতির বাহিরে, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দলীয় নাম ব্যবহার করে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন অপকর্ম বা কোন কমিটি বাণিজ্য করার সুযোগ নাই সেই যেই হোক না কেন যতই শক্তিশালী হোক না কেন।তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের মামলা ও আছে।আব্দুল খলিল চৌধুরী বিভিন্ন আইন অমান্য কারী লোক বল নিয়ে দলের শৃঙ্খলা নষ্ট করে দলীয় কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনিয়নে।দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি হাজী শামসুল আমিন আহবায়ক জাতীয় শ্রমিক লীগ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন শাখার পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছি। কারণ আমি বর্তমানে হোয়াইটং ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি প্রোগ্রামে বিভিন্ন দলীয় সভা সমাবেশে আমি সহ আমার সদস্য সচিব সব সময় উপস্থিত থাকি।
এইন কথিত আব্দুল খলিল চৌধুরীর অপকর্মের বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখলা নষ্ট সহ এই বিষয়ে আমি উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।



















