ফিয়াদ নওশাদ ইয়ামিন,ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি নাম, একটি অধ্যায়, একটি ইতিহাস। মুজিবই সর্ব প্রথম হাজার বছরের শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালী জাতীয়তাবাদের আবেগের প্লাবন বইয়ে দিয়েছিলেন বঙ্গমানবের মিলনভূমিতে। যৌবনের পুরো একটি যুগ কারাগার থেকে কারাগারে নিঃসঙ্গ জীবন তাঁর ভাগ্যে জুটেছিল। দু’বার ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াতে হয়েছিল দেশদ্রোহিতার অপরাধে। শুধু স্বাধীনতা ও বাঙালীর অধিকারের প্রশ্নে তিনি কখনো আপোষ করেননি। আর এই আপোষ না করার কারণে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালো রাত্রে ইতিহাসের এই মহামানব এবং তাঁর পরিবারবর্গকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এমনকি এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পায়নি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র ১০ বছরের শেখ রাসেলও।
১৫ ই আগস্ট সেই নারকীয়ও গণহত্যার স্মরণে দশ বছরের শিশু রাসেলের স্মৃতি বিজড়িত শেখ রাসেল জাতীয় পরিষদ রামপুরা থানা এক শোক সভার আয়োজন করে।
আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জনক কে এম শহীদ উল্যা
এবং বিশেষ অতিথি,স্থানীয় রামপুরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ,
অন্যতম বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ঢাকা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব নাহিদুল বারী নাহিদ।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন রামপুরা থানার
সভাপতি মোঃ রানা মাতব্বর ও সঞ্চালনা করেন রামপুরা থানার সাধারণ সম্পাদক আরিয়ান আহমেদ রাব্বি,
আগত অতিথিরা রাসেলের স্মৃতিকে স্মরণ করে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার জন্য প্রেরণা দেন এবং ইতিহাস সম্পর্কে জানার আগ্রহী করে তোলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়


















