জাহিদ হাসান,নাটোর প্রতিনিধিঃ
আগামী ২৯ শে ডিসেম্বর নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিবেদিত প্রাণ,বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক,সমাজসেবক আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল। ইউনিয়ন ঘুরে জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা ধরনের সামাজিক উন্নয়ন সহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিশেষ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করে আসছেন তিনি। এছাড়াও এলাকাবাসীর যে কোন বিপদ-আপদে সহযোগীতা সহ গরীব মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অল্প কিছু দিনের মধ্যে স্থানীয় গণমাণুষের হৃদয়ের মাঝে আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন তিনি।
তাই তৃণমূলে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকা আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলালকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এবং চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান মাঝগাঁও ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগন।
ইউনিয়নের সাধারন ভোটাররা জানান, দুলাল আমাদের আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব। বিগত দিনে তিনি নির্বাচিত কোন প্রতিনিধি না হয়েও বর্তমান ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের চেয়েও অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন ব্যক্তি গত ভাবে। মাটির রাস্তা, বাঁশের ব্রিজ,বেকারত্ব দুরীকরণ,গরিব মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। দুলাল ভাই নির্বাচিত হলে আমরা সাধারণ মানুষ একটা আস্থার জায়গা খুঁজে পাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যেন তাঁকেই নৌকা প্রতিক দেয়।
এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল বলেন, এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভোটাররা এরই মধ্যে তার পক্ষে মাঠে নেমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
তিনি আরও বলেন,বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।করোনা কালীন সময়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ,এলাকার শতাধিক বেকার যুবককে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা,শিশু কিশোরদের মানষিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা সামগ্রী বিতরণ,মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সহ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে নৌকার প্রতীক দেয় তাহলে এই মাঝগাঁও ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, মাদক মুক্ত একটি আধুনিক ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তোলার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সেই সোনার বাংলা গড়তে আমি অবিরাম ভাবে কাজ করে যাবো।



















