দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার দাড়ের
পাড়া ডিজিএম মাধ্যমে বন্ধ করার লক্ষ্যে এ কেমন নোংরামি।
দুষ্কৃতকারীরা তাদের
স্বজনকে এই বিদ্যালয়ের চতুর্থ
শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ
দেওয়ার লক্ষ্যে উক্ত বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কে
এই নিয়োগের ব্যাপারে চাপ
প্রয়োগ করতে থাকে। দুষ্কৃতকারীরা বিদ্যালয়ের স্বার্থকে বড় করে না দেখে তাদের নিজেস্ব স্বার্থ উদ্ধারের ব্যাপারে মোরিয়া হয়ে উঠে কিন্তু বিদ্যালয়ের
সভাপতি দৌলতপুর কলেজের লেকচারার একজন ক্লিন ইমেজের
তরুণ সমাজসেবক তারিখ সালমান তাপস এই সকল দুষ্কৃতকারীদের চাপকে
তোয়াক্কা না করে সততা ও ন্যায় কে আঁকড়ে ধরে মেধার ভিত্তিতে দেয়া
প্রথম স্থান অধিকার করবে কেবলমাত্র তারাই মেধার ভিত্তিতে এই সকল
হবে নিয়োগ এবং নিয়োগ পরীক্ষায় যারা ভালো ফলাফল করবে এবং
পদে নিয়োগ পাবে অন্যথায় কোন ভাবেই এই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া
সম্ভব নয়। এমন নীতির ভিত্তিতে অটুট ভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে এই সকল
দুষ্কৃতকারীরা অন্য কোন উপায় না পেয়ে সভাপতি তারিখ সালমান তাপসকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করে। তারা বলেন টাকার বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে এই সকল পদে নিয়োগ। অথচ এই নিয়োগে নিয়োগ-বাণিজ্যের তেমন কোন বালাই নেই । মিথ্যা এই অপপ্রচার করে সামাজিকভাবে তারিখ সালমান তাপসকে হেই প্রতি পূর্ণ করার চেষ্টা করছন এই চক্রটি। এই ব্যাপারে ডিজিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এই নিয়োগ দেয়া হবে মেধার ভিত্তিতে তিনি আরো বলেন সভাপতি আমাকে বলেছে মেধার ভিত্তিতেই যেন সুষ্ঠুভাবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় তাই আমি মেধা সম্পূর্ণ আবেদনকারীদের নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে ইতিমধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের সাথেও কথা
বলেছি এবং তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েছি। সভাপতি তারিখ সালমান তাপসের সাথে কথা বললে তিনি বলেন স্থানীয় একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে যা আদেও সত্য নয় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে এই বিদ্যালয়ের নিয়োগ দেওয়ার কথা বললে আমি যখন বলি নিয়োগ দেয়া হবে মেধার ভিত্তিতে যদি তারা মেধাবী হয়
তাহলে অবশ্যই আমরা নিয়োগ দিবো এবং এই কথা শুনেই তারা আমাকে নিয়ে অপপ্রচারে নামে। আপনারা জানেন আমার বাবা মরহুম ইয়াকুব আলী চেয়ারম্যান আমিত্ব পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন আমি তার সন্তান হিসেবে যখন-ই এই বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পেলাম তখন থেকেই আমি আমার বাবার সেই সুনামকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি এরই মধ্যে
কিছু অসাধু ব্যক্তি তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে আমার উপরে ঈর্ষান্বিত হয়ে এমন ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালানো শুরু করে। আমি এবং আপনাদের আরো জানাতে চাই আজ পর্যন্ত কোন পরীক্ষার দিন তারিখ ঠিক করা হয়নি এবং আবেদনকারীদের এখন পর্যন্ত কোন
প্রবেশপত্রও দেয়া হয়নি তাহলে কিভাবে আমি অন্যদের প্রবেশপত্র দিলাম না? এমন ধরনের মিথ্যা অভিযোগ আমার উপর কিভাবে করল? আর নিয়োগ বাণিজ্যের যে কথা বলেছে তা তদন্ত্র করলেই বের হয়ে।
আসবে আদৌও আমি কারোর কাছে থেকে কোন টাকা পয়সা নিয়েছি কিনা? এমন ধরনের মিথ্যা অপবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।



















