https://www.facebook.com/shirsokhabor/
Saturday , 25 March 2023 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

৫১ বছর বয়সে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী হাসিনা খাতুন।।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

অন্ধকার থেকে আলোয় আসতে চান ৫১ বছর বয়সী হাসিনা খাতুন। নিজে লেখাপড়া না জানলেও তার বিশ্বাস, যার ভিতরে শিক্ষার কোনো আলো নেই, সে অন্ধকারে আছে। তাই তিনি জীবনের প্রায় শেষ বয়সেও শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে চান। হাসিনা খাতুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের আব্দুল কাশেমের স্ত্রী। ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়া হয়নি হাসিনা খাতুনের। অভাবের কারণে দ্রুত বিয়েরপিঁড়িতে বসতে হয়। সংসারের বেড়াজালে আটকে যায় জীবন। সেই থেকে সংসার ছেলেমেয়ে নিয়ে হাসিনার ব্যস্ততম জীবন। তার সংসারে স্বামী এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়ে দিয়েছেন। নিজে লেখাপড়া না জানলেও ছেলেকে বানিয়েছেন গ্র্যাজুয়েট। হাসিনা খাতুন এখন ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। ৫ম শ্রেণিতে মোট ৩৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে তার রোল ২৭। বাড়ির কাজ শেষ করে প্রতিদিনই স্কুলে আসেন হাসিনা

খাতুন। লেখাপড়ায়ও খুব মনোযোগী তিনি। তার সঙ্গে পড়া সহপাঠীরাও খুব খুশি তাকে পেয়ে। হাসিনা খাতুন জানান, তার ইচ্ছা ছিল সে লেখাপড়া করবেন। এই বয়সে চাকরি কিংবা অন্য কোনো কারণে তিনি লেখাপড়া করতে চান তা নয়। জ্ঞানার্জন করায় তার আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সময়-সুযোগ আর হয়ে উঠছিল না হাসিনা খাতুনের। পাশের বাড়ির এক পুত্রবধূর কাছে পরামর্শ করে ভর্তি হয়ে যান প্রাইমারি স্কুলে। তার লেখাপড়া করার ইচ্ছা দেখে শিক্ষকরা ভর্তি করে নেন তাকে। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুন জানান, সহপাঠীরা তাকে কেউ দাদি আবার কেউ চাচি বলে ডাকে। অবসর সময় তাদের মাঝে মাঝে বিভিন্ন গল্প শোনান। তাদেরও ভালো সময় কাটে। প্রতিদিন তাদের সঙ্গেই স্কুলে আসেন হাসিনা। আবার স্কুল ছুটি হলে একসঙ্গেই বাড়ি যান। তৌহিদুল ইসলাম নামে আরেক শিক্ষার্থী জানায়, প্রথম শ্রেণি থেকেই তাদের সঙ্গে হাসিনা দাদি পড়েন। একসঙ্গে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করছে সে। স্কুলটির শিক্ষক সীমা রানী ভট্টাচার্য বলেন, লেখাপড়ার প্রতি হাসিনা খাতুনের খুব আগ্রহ। তিনি নিয়মিত স্কুলে আসেন। লিখতে ও পড়তে পারার জন্য তিনি স্কুলে ভর্তি হয়েছেন। এখন তিনি সবই পারেন। স্কুলের শিক্ষকরা তাকে খুবই

সহযোগিতা করেন। ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোমেনা বেগম বলেন, এই বয়সে স্কুলে ভর্তি হয়ে নিয়মিত ছাত্রী হওয়া সত্যিই বিরল। হাসিনা খাতুনের লেখাপড়ার প্রতি খুবই আগ্রহ। তার আগ্রহের ফলে তাকে ভর্তি নিয়েছি। সংসার সামলে নিয়মিত স্কুলে আসেন তিনি। শিক্ষকরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। যারা লিখতে ও পড়তে পারেন না তারা হাসিনা খাতুনের মতো স্কুলে আসলে দেশ নিরক্ষরমুক্ত হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাসিনা খাতুন ৫১ বছর বয়সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ায় একটি জিনিস প্রতিয়মান হয় যে শিক্ষার কোনো বয়স নেই, শিক্ষার কোনো বাধা নেই, যদি যে কেউ যে কোনো বয়সে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ হয়, শিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হয়, সরকারের দোয়ার অগণিতভাবে খোলা আছে। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, আমি যদি আমার লোকলজ্জা ফেলে ভালো কাজে এগিয়ে যেতে চাই সমাজ তার পাশে আছে। যার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে হাসিনা খাতুন।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

নলডাঙ্গা ইউএনও অফিসে ঢুকে গাড়িচালককে মারার চেষ্টা, মামলা

কারাগার থেকে ভোট দিলেন সালমান, আনিসুল ও পলকসহ ভিআইপি বন্দিরা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের আজিজুল জটিল রোগে আক্রান্ত, সাহায্যের আবেদন

দুর্বৃত্তদের ককটেল নিক্ষেপ,ক্ষতিগ্রস্ত মৈত্রী এক্সপ্রেস

গোমস্তাপুরে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস পালিত

গাজীপুরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন, আইসিইউতে ৮ জন

শীতের রাতে ছিন্নমূল মানুষ পেল সেভিয়রের উষ্ণ পরশ

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দায় আছে: আইন উপদেষ্টা

বাগমারায় শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান স্মৃতি সংঘের উদ্বোধন করলেন এমপি এনামুল হক

‘আমরা একশ কোটি হিন্দু, বাংলাদেশের দেড়-দু কোটি হিন্দুর জন্য লড়ব’: বিজেপি নেতার হুঁশিয়ারি