“বারুদ আর রক্তমাখা বীভৎস ভয়াল- বিভীষিকাময় ২১শে আগস্ট রাজনৈতিক ইতিহাসে হত্যাযজ্ঞের এক কলঙ্কময় দিন।
২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে
শহীদ শেখ রাসেল স্মৃতি ফাউন্ডেশন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও তরুন আওয়ামী লীগ নেতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাণী দিয়েছেন।
বাণীতে প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই ২১ শে আগস্টের ভয়ঙ্কর
গ্রেনেড হামলার সেই বিভীষিকাময় ভয়াবহতা আজো আমাকে কাঁদায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২১শে আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল
দিন। মৃত্যু-ধ্বংস- রক্তাতের নারকীয় সন্ত্রাসী হামলার ১৯তম বার্ষিকী। বিএনপি- জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১
আগস্ট রাজধানী ঢাকার বুকে শান্তিপূর্ণ
রাজনৈতিক সমাবেশে চালানো হয় এই হত্যাযজ্ঞ। গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হিংসার
দানবীয় সন্ত্রাস আক্রান্ত করে মানবতাকে।
বিএনপি- জামায়াত জোটসরকারের আমলে ২০০৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে অকল্পনীয় এক নারকীয় গ্রেনেড হামলার ঘটনা বাংলাদেশে এক কলঙ্কময় অধ্যায়ের জন্ম দেয়। ২১শে আগস্ট ঘাতকচক্রের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করে দেশে স্বৈরশাসন ও জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠা করা।
তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত পৈশাচিক এ হামলায় সে দিন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী বেগম আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। শুধু গ্রেনেড হামলাই নয়, সেদিন তাদের প্রধান টার্গেটে থাকা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি লক্ষ্য করেও চালানো হয় ছয় রাউন্ড গুলি। ওই ঘটনায় মহান আল্লাহর রহমতে দলীয় নেতাকর্মীরা মানববর্ম রচনা করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে। সেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি আহত হন, তার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাঙালি জাতি আজ শ্রদ্ধাবনতচিত্তে ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী পালন করছে। মহান আল্লাহর দরবারে শোকাবহ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ২১ শে আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ, উদার, গণতান্ত্রিক উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের সকল জনগণকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।”



















