
টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে শুরু থেকেই পাকিস্তানি ব্যাটারদের সামনে চাপে পড়ে যায় তারা।
পাকিস্তানের বড় সংগ্রহের মূল নায়ক ছিলেন সামির মিনহাস। ১১৩ বলে ১৭২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ইনিংসে ছিল ১৭টি চার ও ৯টি ছক্কা।
গ্রুপ পর্বে একই মাঠে ভারতের বিপক্ষে ৯০ রানে হেরেছিল পাকিস্তান। সেই হারের প্রতিশোধ নিতেই যেন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন মিনহাস।
১৯ বছর বয়সী মিনহাস ডাবল সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন। তবে দেবেন্দ্রানের ধীরগতির এক বল বুঝতে না পেরে মিড অনে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ভারতীয় এই পেসার ৩ উইকেট নিলেও বেশ খরুচে বোলিং করেন।
পাকিস্তানের ইনিংসে শুরুতে হামজা জাহুর দ্রুত আউট হলেও পরে উসমান খান ৩৫ রান করে মিনহাসের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। এরপর বাঁহাতি ব্যাটার আহমেদ হুসেইন ৫৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। মিনহাস ও আহমেদের ১৩৭ রানের জুটিই পাকিস্তানকে বড় রানের পথে নিয়ে যায়।
৩৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে ভারত। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত পুরো দল মাত্র ১৫৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন দেবেন্দ্রন। এছাড়া ১০ বলে ২৬ রান করেন ওপেনার বৈভব। বাকিদের মধ্যে কেবল দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেন অ্যারন জর্জ, অভিজ্ঞান কুন্ডু ও খিলান প্যাটেল।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন আলি রাজা। দুটি করে উইকেট পান আবদুল সোবহান, মোহাম্মদ সায়াম ও হুজাইফা আহসান।
এই জয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতল পাকিস্তান। এর আগে ২০১২ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে শিরোপা জিতেছিল তারা। ১৯৮৯ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি আটবার শিরোপা জিতেছে ভারত। ২০১২ সালের আসরে ভারত ও পাকিস্তান যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।


















