https://www.facebook.com/shirsokhabor/
বুধবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলেন গৃহকর্মী আয়েশা

প্রতিবেদক
Amirul Islam
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫ ২:১০ অপরাহ্ণ
ইপেপার দেখুন

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় রিমান্ডে থাকা গৃহকর্মী আয়েশা আক্তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন।

এদিন আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি আয়েশাকে হাজির করে স্বীকারোক্তি দেওয়ার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আসামি আয়েশা আক্তারকে স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য তিন ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। এ সময় আয়েশা স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হলে আসামি বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এরপরে বিচারক আসামি আয়েশা আক্তারকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার গৃহকর্মী আয়েশা আক্তারের স্বামী রাব্বী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক বাসায় ৪৮ বছর বয়সী লায়লা আফরোজ এবং তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে গলা কেটে খুন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ওইদিন রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন লায়লার স্বামী আজিজুল ইসলাম।

পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর দুপুরে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুফু শাশুড়ির বাড়ি থেকে আয়েশা ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরে তাদের দুজনকে রিমান্ডে পাঠায় ঢাকার সিএমএম আদালত।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাব্বীর তিনদিন এবং আয়েশার ছয়দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত।

এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৮ ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক বাসায় ৪৮ বছর বয়সী লায়লা আফরোজ এবং তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে গলা কেটে খুন করা হয়। ওই বাসায় কাজ করতেন আয়েশা। সিসি ক্যামেরার ভিডিওতে ঘটনার আগে পরে কেবল তাকেই ওই বাসায় ঢুকতে এবং বের হতে দেখা যায়। হত্যাকাণ্ডের দিন সোমবার রাতে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন লায়লার স্বামী আজিজুল ইসলাম। তার দুই দিন পর আয়েশা ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার বাদী আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আজিজুল। স্কুলে পরীক্ষা চলমান থাকায় বাসায় ফেরেন তাড়াতাড়ি। জোড়া খুনের এ ঘটনায় আগামী ১৩ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক