
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রোদ্রিগেজের নেতৃত্বাধীন সরকারকে বলেছেন, আরো তেল উত্তোলনের অনুমতি পেতে আগে চীন, রাশিয়া, ইরান ও কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তাদের বের করে দিতে হবে।
সূত্রের বরাতে এবিসি নিউজ আরো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলাকে তেল উৎপাদনে একচেটিয়াভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদার হতে এবং ভারী ‘ক্রুড ওয়েল’ বিক্রির ক্ষেত্রে আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দিতে চাপ দিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার নতুন নেতৃত্বকে জানিয়েছে আরো তেল তুলতে হলে ট্রাম্পের শর্ত মানতে হবে।
এদিকে চীন দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং দেশটির সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক গোপন ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের বলেছেন, ভেনেজুয়েলার থাকা তেলের মজুদ পূর্ণ থাকায় যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে চাপ দিতে পারবে।
মার্কিন ধারণা অনুযায়ী, তেল বিক্রি না করতে পারলে কারাকাস মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়বে।
এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার নিশ্চিত করেন, আমেরিকার পরিকল্পনার মূল ভিত্তি ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ন্ত্রণ। এতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘উন্মুক্ত বাজারে যতক্ষণ না সেগুলো চলাচল শুরু করছে, ততক্ষণ আর কোনো ট্যাঙ্কার ভরা যাবে না, কারণ সবই পুরোপুরি ভর্তি।’
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে, যা বাজারদরে বিক্রি করা হবে।
ট্রাম্প আরো বলেন, তেল বিক্রির টাকা তিনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করবেন, এবং ভেনেজুয়েলার জনগণ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে ।


















