https://www.facebook.com/shirsokhabor/
শনিবার , ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

নওগাঁয় প্রাথমিকে নিয়োগের প্রশ্নপত্র দেবে বলে ১৮ লাখ টাকা চুক্তি, গ্রেফতার ১৮

প্রতিবেদক
Amirul Islam
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ইপেপার দেখুন

নওগাঁয় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের দুই হোতাসহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, আধুনিক ডিভাইসসহ নগদ ৩৭ হাজার ৯৪৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জেলার ৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে৷

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যলায়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রশ্নফাঁস চক্রের দুই হোতা হলেন- জেলার মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আহসান হাবিব (৪০) এবং পত্নীতলা উপজেলার শিবপুর গ্রামের সালেহ উদ্দিনের ছেলে মামুনুর রশিদ (৪১)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আসে একজন প্রতারক কিছু পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে নওগাঁ শহরে অবস্থিত পোরশা রেস্ট নামের একটি আবাসিক হোটেলে পরীক্ষার্থীসহ অবস্থান করছে। খবর পেয়ে জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল সেই হোটেলে অভিযান চালায়। অভিযানে ওই আবাসিক হোটেলের ১১ নং কক্ষ থেকে প্রশ্নফাঁসের হোতা আহসান হাবিব (৪০) এবং তার সহযোগী মামুনুর রশিদ এবং পরীক্ষার্থী হাবিবুর এবং তার বাবা ফারাজুলকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আহসান হাবিবের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। ওই আবাসিক হোটেলের অন্যান্য রুমে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী আতাউর রহমান, ফারুক হোসেন ও হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়। তাদের মোবাইল ফোনেও পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। অপর আরেকটি কক্ষ থেকে পরীক্ষার্থী সারোয়ার এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী আবু সাঈদকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আহসান হাবিব জানায় প্রশ্নপত্র দেবে বলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা নেবে বলে চুক্তি করে। সে চুক্তি মোতাবেক পরীক্ষার্থী আতাউর রহমান ও ফারুকের কাছ থেকে এক লাখ করে মোট দুই লাখ টাকা নেয় এবং পরীক্ষার্থী হাবিবুরের বাবা ফারাজুলের কাছ থেকে অগ্রীম ৩০ হাজার টাকা নেয়।

তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের হোটেল নীলসাগরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী রেহান জান্নাতকে আটক করা হয়। তার মোবাইল ফোনেও ভুয়া প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায়, তার দুলাভাই মোহাম্মদ সাজ্জাদুল হক ছয় লাখ টাকার মৌখিক চুক্তিতে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেয়। এছাড়া মহাদেবপুরে একজনকে এবং শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বন করে আধুনিক ডিভাইসের সাহায্যে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে সদর থানা পুলিশ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আট জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুশফিকুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুল্লাহ হাবিব, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নিয়ামুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত