রুবেল সরদার, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি : বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মূলাদী) আসনে জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির মুখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৯–১০টি মোটরসাইকেলে করে প্রায় ১৫-২০ জন ব্যক্তি মাধবপাশা বাজারসংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং সেখানে থাকা লিফলেট নষ্ট করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থী ব্যারিস্টার ফুয়াদ।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় নেতাকর্মী এ হামলার সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও দাবি করেন, সফিপুর, বাটামারা ও নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অহেদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “আমরা খবর পাই যে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাংশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে কিছু দুষ্কৃতকারী লোকজন নমুনা ব্যালট ও টাকা বিতরণ করছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানাকে জানানো হয়। স্থানীয় লোকজনের বাঁধার মুখে জামায়াত ও ফুয়াদের কর্মীরা সরে যায়।”
তিনি আরও দাবি করেন, “পরবর্তীতে ব্যারিস্টার ফুয়াদ নিজেই কিছু লোক নিয়ে অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। ধানের শীষের কোনো কর্মী বা আমাদের কোনো নেতাকর্মী সেখানে যায়নি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
অহেদুল ইসলাম খান বলেন, “ব্যারিস্টার ফুয়াদ প্রায়ই উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং বিএনপি নেতাদের নিয়ে অশোভন মন্তব্য করেন। আমরা তার এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি একজন শিক্ষিত মানুষ; তার বক্তব্যে সংযম থাকা উচিত।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।



















