https://www.facebook.com/shirsokhabor/
Friday , 4 August 2023 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

শেখ কামালের আদর্শ ছড়িয়ে পড়ুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে- প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ২য় সন্তান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব শহীদ শেখ কামাল ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট বাঙালির পীঠস্থান শাশ্বত সুনিবিড়, সবুজ-শ্যামল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
শহিদ শেখ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৬৯ সালে ভর্তি হয়ে মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৪ সালে স্নাতক (সম্মান) পাশ করেন। তিনি স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য তিনি তার ফলাফল দেখে যেতে পারেননি। ১৯৭৬ সালের ২৯ জানুয়ারিতে স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয় যাতে তিনি দ্বিতীয় শ্রেণী পেয়ে উত্তীর্ণ হন।
এর আগে ঢাকার বিএএফ শাহীন স্কুল থেকে ১৯৬৭ সালে এসএসসি (মাধ্যমিক) পাশ করেন ও ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৬৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। স্কুল জীবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিনয়ী ও মার্জিত শেখ কামাল তার মানবিক গুণাবলী ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের জন্য বন্ধু, সহপাঠী সকলের কাছেই সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিলেন।
ছাত্রলীগের একজন সক্রিয়, আদর্শবাদী একনিষ্ঠ কর্মী ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা, ১১ দফা আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলন এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে শহিদ শেখ কামাল সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন এবং আশেপাশের সবাইকে উদ্দীপ্ত করেছেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের বিভাজন দূর করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন জাতীয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সদস্য ছিলেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শেখ কামালের অবদান ছিল বীরোচিত। মাত্র ২২ বছর বয়সে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ও তখনকার ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২৫শে মার্চ কাল রাতে পাকহানাদার বাহিনী ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কস্থ বাসভবন আক্রমণ করার পূর্ব মুহূর্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের চোখ এড়িয়ে গোপালগঞ্জ হয়ে ইছামতী নদী পাড়ি দিয়ে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্ত পার হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পৌঁছান। [তথ্য সূত্র: বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী, এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার]।
বঙ্গবন্ধুর মেজো ছেলে শহিদ শেখ জামালও মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট সকালে কাউকে না জানিয়ে তারকাটার বেড়া দেওয়া পাক বাহিনীর ধানমন্ডির বন্দীশিবির থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তৎকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিবাহিনী গঠন করে। মুক্তিবাহিনীর সুদক্ষ নেতৃত্ব তৈরির জন্য জেন্টলম্যান ক্যাডেট নির্বাচন করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের মধ্য থেকে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ৬১ জনকে নির্বাচিত করা হয়। শহিদ শেখ কামাল ছিলেন এই ৬১ জনের মধ্যে একজন। এই ‘ফার্স্ট বাংলাদেশ ওয়ার কোর্সের’ ক্যাডেট দের আধুনিক অস্ত্র প্রশিক্ষণ, গেরিলা যুদ্ধে দুর্ধর্ষ চৌকস করে তোলা হয় ১৪ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
এই ওয়ার কোর্সের কঠিন প্রশিক্ষণ শেষে শেখ কামাল মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর এডিসি (এইড-দ্য-ক্যাম্প) হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি এডিসি হিসাবে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সংগঠিত করেছেন। গেরিলা বাহিনীর সংগঠনে ও তাদের প্রশিক্ষণে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। বঙ্গমাতা ও ভাইবোনদের সকল উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দূর করে ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা দু’ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল। মুক্তিযুদ্ধের পর সামরিক বাহিনীতে না থেকে পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যান এবং লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
স্বাধীনতার পর দেশ দেশ ছিল বিপর্যস্ত। নবগঠিত রাষ্ট্র বাংলাদেশে ফিরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে দেশ পুনর্গঠনের কাজে সম্পূর্ণরূপে আত্মনিয়োগ করেন শেখ কামাল।
শেখ কামাল শুধু একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও তরুণ রাজনীতিবিদই ছিলেন না, ছিলেন একজন অপাদমস্তক ক্রীড়াপ্রেমী  ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। স্কুল জীবন থেকেই তিনি ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। স্কুলে একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে তার সুনাম ছিল। তিনি দীর্ঘদিন আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের বাস্কেটবল টিমের অধিনায়ক ছিলেন। একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তিনি যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আজও সবাই অকপটে স্বীকার করে। বাংলাদেশের খেলাধুলাকে বিশ্বমানের করার স্বপ্ন ছিল তার চোখে। তার হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিপ্লব সংঘটিত হয়।
১৯৭২ সালে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন শেখ কামাল। শুধু শেখ কামাল নন, তার স্ত্রী সুলতানা কামালও বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সুলতানা কামাল খুকী ছিলেন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের হয়ে লং জাম্প ও ১০০ মিটার স্প্রিন্টে রুপা ও ব্রোঞ্জ পদক জয়ী প্রথম অ্যাথলেট। তিনি ছিলেন স্প্রিন্ট আর লং জাম্পে ন্যাশনাল রেকর্ডধারী। সুলতানা কামালের নামটাও স্মরণীয় হয়ে আছে বর্তমান প্রজন্মের অ্যাথলেটদের কাছে। দেশের ক্রীড়াঙ্গন চিরকাল ঋণী থাকবে শেখ কামাল ও সুলতানা কামালের কাছে, কারণ তাদের হাত ধরেই নতুন ধারার সূচনা হয় এদেশের ক্রীড়াঙ্গনের।
খেলাধুলার পাশাপাশি শেখ কামাল সংগীত, নাটক, বিতর্কসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। শেখ কামাল অভিনয়শিল্পী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে পরিচিত মুখ ছিলেন।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পাবনায় ট্রাক চাপায় ২ করিমন যাত্রী নিহত

গৃহশিক্ষকের হাত ধরে বাড়ি ছাড়লেন ছাত্রীর মা

ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতিকে বলেছেন, ‘আমার কণ্ঠ দমন করা হয়েছে’!

বেগমগঞ্জে ১৪৫ তম স্কাউটস ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে

মাস পেরোলেও প্রতিবেদনে ব্যর্থ তদন্ত কমিটি

গানম্যান পেলেন এনসিপির যে ৬ নেতা

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র গ্রেপ্তার, না হলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাবুগঞ্জে ঢাকাস্থ রহমতপুর কল্যাণ সমিতির সদস্য, সাংবাদিক রুবেল সরদারকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক ভিপি মঈন তুষার আটক