২৭১ যাত্রী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে চিলির সান্তিয়াগো যাওয়ার সময় মাঝ আকাশে একটি ফ্লাইটের পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। এরপর ওই ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হন সহ পাইলট।
লাটাম এয়ারলাইন্সের ওই ফ্লাইটে সোমবার এ ঘটনা ঘটলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। যুক্তরাজ্যের ইন্ডিপেনডেন্ট ও এভিয়েশন হেরাল্ড সূত্রে জানা গেছে, মায়ামি থেকে রওনা হয়ে পানামা সিটির কাছাকাছি গিয়ে ওই পাইলট মারা যান। পরে পানামা সিটিতেই জরুরি অবতরণ করা হয়।

মায়ামি থেকে ছেড়ে ঘণ্টা তিনেকের পথ পাড়ি দিয়েছিল বোয়িং ৭৮৭-ড্রিমলাইনারটি। উড়ানটি তখন ৩৭ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে তখন ক্যারিবিয়ান সাগর পাড়ি দিচ্ছিল। এ সময় বাথরুমে পড়ে গিয়ে অসুস্থ বোধ করেন ৫৬ বছর বয়সী পাইলট ইভান আন্দাউর।
সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে সাধ্যমতো চেষ্টা করতে থাকেন। তখন বিমানের হাল ধরেন সহ পাইলটরা। কিন্তু পাইলটের অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় পানামা সিটির টকুমেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ ঘটান সহ পাইলটরা।
এক বিবৃতিতে লাটাম এয়ারলাইন্স গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জরুরি অবতরণের পরে মেডিক্যাল টিম দ্রুত পৌঁছে যায় এবং পাইলটকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন। তারা জানান, অবতরণের আগেই মারা গেছেন পাইলট আন্দাউর।

বিমান চালনায় অভিজ্ঞ ছিলেন ইভান আন্দাউর। পাইলটের পেশায় ছিলে ২৫ বছর। লাটাম এয়ারলাইন্স গ্রুপ জানিয়েছে, এই ঘটনায় তারা শোকাহত ও বিচলিত। তাঁর পেশাদারিত্ব, তাঁর আত্মোৎসর্গ করার ঘটনা কোনোভাবেই ভোলার নয়।
এদিকে জরুরি অবতরণ করাতে গিয়ে যাত্রীদের কোনো অসুবিধা হয়নি এবং তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে এয়ারলাইন্সটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জরুরি অবতরণের পর ২৭১ যাত্রীকে বিমান থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়। মঙ্গলবার তাদেরকে নিয়ে পানামা থেকে রওনা হয়ে সান্তিয়াগোতে উড়ে যায় লাটামের ফ্লাইটটি।



















