রেজাউল করিম, বিশেষ প্রতিনিধি
নওগার মান্দা উপজেলার ৯ নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের সাবাই হাট বাজারে ভাঙ্গারি ব্যবসার আড়ালে হারেজ আলি গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী বিভিন্ন অপরাধী সিন্ডিকেট। এ সকল সিন্ডিকেটের সদস্যরা এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে সক্রিয় রয়েছে বলে জানা যায়।
হারেজ আলীর সিন্ডিকেট সদস্যরা স্বল্প বেতন কিংবা কমিশনের মাধ্যমে স্থানীয় মাদকসেবী, বখাটে যুবক ও ছিচকে চোরদের কাজে লাগিয়ে এবং তাদের ব্যবহার করে বিভিন্ন বাসা বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান-পাট, সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন প্রকার লোহার মালামাল, টিন, স্টিল, তামা, পেপার, বই, এল্যুমিনিয়াম, প্লাস্টিক সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য চুরি করিয়ে তা কম দামে ক্রয় করে বিশাল মজুদ গড়ে তুলে দেশের বিভিন্ন মিল-কারখানায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
জানা যায়, ভাঙারি ব্যবসায়ী হারেজ আলি তার নিযুক্ত ফড়িয়া-হকার কিংবা খুচরা ক্রেতাদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেট সদস্যরা রাতের অন্ধকারে টিউবওয়েলের মাথা, লোহার পাইপ, গাড়ির যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক সামগ্রী, নতুন-পুরাতন রড, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর কিংবা আবাসিক এলাকায় পরিত্যাক্ত পড়ে থাকা বিভিন্ন মালামাল নিয়ে এসে ভাঙারি দোকানে বিক্রি করে দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ ও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার নাম ব্যবহার করে ভাঙ্গারী ব্যবসার আড়ালে হারেজ আলি গড়ে তুলেছেন অপরাধ চক্র ।
স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় এইসব চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন অপকর্ম প্রকাশ্যে চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক নীরবতা এলাকার জনমনে নানা প্রশ্নের দানা বেঁধেছে।
এ ব্যপারে ভাঙারি ব্যবসায়ী হারেজ আলি জানান, আমরা কোন চোরাই মালামাল বেচা-কেনা করি না। আমরা মাল কেনা-বেচা করি বিভিন্ন মহল্লায় গড়ে ওঠা ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। তারা কাদের কাছে থেকে মালামাল কিনে তা আমাদের জানা নেই।
এ বিষয়ে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, যত দ্রুত সম্ভব সকল প্রকার অপরাধ দমনসহ প্রতিটি সিন্ডিকেট সদস্যদের চিহিৃত করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।



















