নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে স্ত্রী খায়রুন নাহার হত্যা মামলা মামুন বলেন,তার চলে যাবার প্রায় তিন মাস।
যার জন্য নিজের আত্মস্মান বিসর্জন দিয়ে সমাজের হাজারো কটুকথা উপেক্ষা করে তাকে নিজের সহধর্মিণী বানালাম।আবার তার আত্নহত্যার দায়ে ভালো স্বামী থেকে আসামি হলাম । তার শেষ বেলায় না পাশে থাকতে পারলাম না জানাযা টা করে তার কবরে তিন মুঠো মাটি দিতে পারলাম। আমার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার অভিযোগ চাপিয়ে দেয়া হয়েছে লোভী খুনি বেয়াদব কত ধিক্কার দুনিয়া আমাকে দিচ্ছে। একটা বিষয় সবাই স্কিপ করে গিয়েছে সেটা আমার স্ত্রীর তৃতীয় পক্ষ ফিরোজ আহাম্মেদ এর সাথে লেনদেন ছিলো যে কিনা আমার স্ত্রীর (৩)ভরি সর্নের গহনা নিয়েছিলো সোনালী ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক, সহ আরও কয়েক জায়গা থেকে আমার স্ত্রী কে দিয়ে লোন তুলিয়ে নিয়েছিলো যা চুক্তি নামা পরলে বুঝতে পারবেন। আমার স্ত্রী মারা যাবার প্রায় ১.৫মাস পুর্বে সেই ছেলের ফিরোজ আহাম্মেদ এর থেকে এই চুক্তি নামা টা করে নেয় আমার স্ত্রী,আর তার মৃত্যুর পরে জানতে পারি শুধু মাত্র সোনালী ব্যাংক থেকেই ১৮লক্ষ টাকা লোন তোলা আছে কিন্তু এই চুক্তি নামায় উল্লেখ নেই কত তারিখে সোনালী ব্যাংক থেকে কত টাকা লোন তুলে দিয়েছিলো ওই ছেলে ফিরোজ আহম্মেদ। আমি আইনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল এবং সত্য সর্বদা উজ্জ্বল এটা বিশ্বাস করি। আমি যদি দোষী হই তবে অবশ্যই আমি নিজেই নিজের শাস্তি দাবি করছি, এবং আমি এই রহস্য টার উদঘাটন চাই আমার স্ত্রীর সাথে ফিরোজ তার কি সম্পর্ক ছিলো কোন সম্পর্কের জেরে সে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন তুলিয়ে নিয়েছে এবং সর্নের গহনা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছে আর তার দায়ভার আমার অপরে চাপানো হয়েছে। জিবনের এই চরম পর্যায়ে আমি খুবি ক্লান্ত, একজন মধ্যেবিত্ব পরিবারের সন্তান হিসেবে মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে আমি অনেকটাই ক্ষতিগস্ত, আমি দেশ বাসির কাছে সাহায্য চাই।আইনের কাছে সঠিক বিচার চাই।



















