মোঃ তৌফিকুর ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলীতে সহকর্মী শিক্ষকের বিরদ্ধে এক নারী শিক্ষিকাকে যৌন হযরানীর লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়,উপজেলাধীন আমতলী এ.কে. হাই স্কুল সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: মাইনুল ইসলাম সহকর্মী নারী শিক্ষিকাকে বিভিন্ন সময় কথা বার্তার অশালীনতা, অসৌজন্যমূলক ও ঔদাত্যপূর্ণ আচরণ করে যাচ্ছেন এবং কারণে অকারণে সুযোগ পেলেই নোংরা প্রস্তাব দেয়, নোংরা ইঙ্গিত করে এবং বিভিন্ন সময় উত্তাক্ত করে। সহকারী শিক্ষক মাইনুল ইসলামের কারনে আত্মহত্যা করা ছাড়া তার কোন উপায় নাই বলেও তিনি অভিযোগে জানান।
বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর দেয়া লিখিত অভিযোগে আরো জানা যায়,এই চরিত্রহীন ও কুরুচিপূর্ণ শিক্ষকের দাপটে ও তার কথা-বর্তায় দাম্ভিকতায় অন্য নারী শিক্ষিকারা ও দিশেহারা। এ ছাড়া ও শিক্ষক মাইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক নারী ঘটিত ঘটনার কথা আমতলীতে চাউর আছে। এঘটনায় সেই শিক্ষিকা ন্যায় বিচার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. মাইনুল ইসলাম তার বিরদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বিকার করেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান সিকদার বলেন, কিছু দিন আগে সহকারী শিক্ষিকা ও শিক্ষক মাইনুল ইসলামের মধ্যে স্কুলে বসে ঝগড়াঝাটি হয়েছে । এর বাইরে আমি কিছু জানিনা।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সফিউল আলম বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় শিক্ষিকার অভিযোগের ভিত্তিত্বে দুজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন ।
তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আল আমিন বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর তদন্তর জন্য চিঠি পেয়েছি দ্রততম সময়ে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।
বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন.অভিযোগের ভিত্তিত্বে দু সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে । তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।



















