সাদমান রাকিন,নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( নোবিপ্রবি) এর বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ স্ট্যাডিজ বিভাগের ( বিএমএস) নাম অপরিবর্তিত রেখে ডিগ্রি পরিবর্তন নিয়ে চলমান আন্দোলনে বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ।
১৭ ই অক্টোবর ( মঙ্গলবার) বিকেলে নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান শুভ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনের বিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে অবস্থান কর্মসূচিতে এসে উপস্থিত হন। এসময়ে তারা বিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করেন। নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলবেন বলে জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে সর্বদা নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ কাজ করবে। দীর্ঘদিন ধরে বিএমএস বিভাগের নাম পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। আমরা আজকে শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি এ বিষয় কথা বলেছি। এ বিষয়ে প্রশাসনের সাথে সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা করবো।
অন্যদিকে, নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান শুভ বলেন, ” নোবিপ্রবি বিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ ৫ মাস ধরে বিভাগের নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয় আন্দোলন করছে। এটা শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি হওয়ায় নোবিপ্রবি ছাত্রলীগ এ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে। আমরা আজকে নোবিপ্রবির মাননীয় উপ- উপাচার্য স্যারের সাথে কথা বলেছি। আগামীকাল শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আমরা নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে এ বিষয় আলোচনা করবো।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে নোবিপ্রবি বিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আন্দেলনের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন ( সাব্বির) বলেন, ” ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে এই বিভাগ চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত বিভাগটির নেই কোন নির্দিষ্ট বিষয় কোড। এর ফলে অধিকাংশ সরকারি চাকরিতে তারা আবেদন করতে পারছেন না। বিভাগের নাম বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ স্টাডিজ অপরিবর্তিত রেখে ইতিহাস অথবা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিগ্রি চান তারা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবিষয়ে কাগজপত্র ইউজিসিতে গিয়ে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে আছে বলে নোবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছেন। কিন্তু আমাদের ক্যারিয়ার এবং জীবন নিয়ে এরকম দীর্ঘসূত্রিতা আমরা চাই না। আমরা দ্রুত এ বিষয়ে সমাধান চাই।
সাদমান রাকিন
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
০১৮৬৬৭৮৭৪৫২


















