মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
নিজ উপার্জনের ১২ লাখ টাকা সঞ্চয় আছে, তবু অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় মরতে বসেছেন মনোহরদীর আওয়ামী লীগ যুবলীগ নেতা মনির।বহু দেন দরবার করেও আমানতের ২০ লাখ থেকে মাত্র ৮ টাকা ফেরত পেলেও বাকী টাকা পাচ্ছেন না।ফলে সুচিকিৎসা বঞ্চিত মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুবলীগের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। অর্থাভাবে সুচিকিৎসার অভাবে মরনাপন্ন অবস্থা এখন তার।
যুবলীগ নেতার পুত্র মনোহরদীর হেতিমদী গ্রামের মেহেদী হাসান (৩২) জানান,কিডনির জটিলতা,হৃদপিন্ডে ব্লক,উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিস ইত্যাদি নানান জটিল রোগে ভুগছেন মনোহরদীর যুবলীগ লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির। ঢাকায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের তৃতীয় তলায় ৩৮ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন তিনি। মনির (৫৪) পেশায় নরসিংদী, মনোহরদী সাব রেজিষ্টার অফিসের একজন দলিল লিখক। এখানকার দলিল লিখক সমিতির বেশ ক’বারের সাধারন সম্পাদকও তিনি। তার জীবনের সমস্ত সঞ্চয়ের ২০ লাখ টাকা মনোহরদীর ‘মহিষাকান্দা মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি নামের একটি সমবায় সমিতিতে আমানত রাখেন তিনি। বহু দেন দরবার করে সে টাকা থেকে মাত্র ৮ লাখ টাকা তুলতে পারেন তিনি।বাকী ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার কোন গতি হচ্ছে না আর। প্রশাসন থানা পুলিশ সকলের চেষ্টাই ব্যর্থ এখন। সোসাইটির কর্মকর্তাদের নানা ছল চাতুরীতে এ টাকা এখন খোয়াতে বসেছেন বলে অভিযোগ তার পরিবারের। এরই মধ্যে নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হন মনির। এ পরিস্থিতিতে তার ছেলে মেহেদী হাসান বিভিন্ন মহলে ধর্না দিয়ে বেড়াচ্ছেন পিতার সুচিকিৎসার জন্য এ ১২ লাখ টাকা ফিরে পেতে। কিন্তু কোন বযবস্থাই হচ্ছে না।ফলে বিনা চিকিৎসায় হাসপাতালে মরতে বসেছেন উপজেলার হেতিমদী গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির।এ পরিস্থিতিতে পরিবারটি চরম হতাশায় হাসপাতালে বসে দিন পার করছেন কেবল।


















