
বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট নোটিশের জন্য দুঃখও প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা।
এতে বলা হয়, ‘১৪/১২/২০২৫ ইং তারিখের স্মারক নং–উমাশি/বৃত্তি/২০২৫/৩২৪ পত্রটি প্রত্যাহার করা হলো এবং পত্রটি প্রকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
নিষিদ্ধ ও সীমাবদ্ধ পেশাগুলো হলো—সাংবাদিকতা (বানিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত); আইন পেশা (যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আদালত উভয়ই একই সময়ে চলে); কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা এতে শিক্ষকতা; প্রাইভেট/কেজি স্কুল পরিচালনা; শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্স বানিজ্যে অংশগ্রহণ; হজ্ব এজেন্ট বা এর মার্কেটিং কার্যক্রম; বিয়ের কাজী বা ঘটকালী পেশা; টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা; ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা; মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামত বা খতিবের দায়িত্ব পালন (যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে) এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী/চাটুকার হিসেবে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।
তবে পত্রটি প্রকাশের জন্য এটি নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা শুরু হওয়ায় আজ তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।


















