https://www.facebook.com/shirsokhabor/
Monday , 15 December 2025 |
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. আরও
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরীর খবর
  11. জেলার খবর
  12. জোকস
  13. টপ টেন
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দুর্ঘটনা

অং সান সু চি হয়তো মারা গেছেন, বললেন তাঁর ছেলে

জান্তা সরকারের কারাগারে আটক মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির কোনো সংবাদই পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে অং সান সু চিকে ঘিরে তথ্যের শূন্যতা থাকায়, তিনি মারা গেলেও তা জানার সুযোগ নাও পেতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তাঁর ছেলে আরিস।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে আরিস বলেছেন, তাঁর ৮০ বছর বয়সী মায়ের সঙ্গে বিগত কয়েক বছর কোনো কথাই হয়নি। ২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানে সু কির সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাঁর হৃৎপিণ্ড, অস্থি আর মাড়ির সমস্যা নিয়ে কেবল বিক্ষিপ্ত, পরোক্ষ কিছু তথ্যই তিনি পেয়েছেন।

টোকিওতে এক সাক্ষাৎকারে আরিস বলেন, ‘তাঁর মায়ের স্বাস্থ্যগত সমস্যা চলছেই। গত দুই বছরে কেউ তাঁকে দেখেনি। তাঁর আইনি দল দূরে থাক, পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। আমার যা মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো ইতিমধ্যে মারাও গিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ধারণা, আমার মাকে নিয়ে (মিয়ানমারের জান্তা নেতা) মিন অং হ্লাইংয়ের নিজস্ব উদ্দেশ্য আছে। নির্বাচনের আগে বা পরে সাধারণ মানুষকে শান্ত করতে যদি তিনি আমার মাকে মুক্তি দিতে চান কিংবা গৃহবন্দী করতে চান, তবে অন্তত সেটাই কিছু একটা হবে।’

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের মুখপাত্রকে ফোন করা হলেও তিনি তাতে সাড়া দেননি। জানা যায়, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বড় দিন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উপলক্ষে বন্দী মুক্তি দেওয়ার পুরোনো অভ্যাস আছে।

২০১০ সালে একটি নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন পরই শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি মুক্তি পেয়েছিলেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইয়াঙ্গুনের ইনায়া হ্রদের তীরে তাঁর ঔপনিবেশিক ধাঁচের পারিবারিক বাড়িতে বন্দী ছিলেন। এরপর ২০১৫ সালের নির্বাচনে তিনি মিয়ানমারের কার্যত নেত্রী হন। সেটি ছিল গত পঁচিশ বছরে প্রথম প্রকাশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট, যদিও তাঁর দেশের মুসলিম রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক মহলে তাঁর ভাবমূর্তি পরবর্তীকালে কালিমালিপ্ত হয়।

এদিকে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারজুড়ে চরম অস্থিরতা চলছে। এই অস্থিরতা সশস্ত্র বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছে, যার ফলে দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন বিদ্রোহীদের দখলে। সু চি বর্তমানে রাষ্ট্রদ্রোহ, দুর্নীতি আর নির্বাচন জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে ২৭ বছরের সাজা খাটছেন; তিনি অবশ্য সব অভিযোগই অস্বীকার করে এসেছেন।

আরিস জানিয়েছেন, তাঁর বিশ্বাস সু কি রাজধানী নেপিদোতেই বন্দী। দুই বছর আগে তাঁর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শেষ চিঠিতে গ্রীষ্ম ও শীতে তাঁর কামরা অসহ্য তাপমাত্রার কথা তিনি লিখেছিলেন। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতের কারণে আরিস শঙ্কিত যে, মানুষ সম্ভবত মিয়ানমারের কথা ভুলে যাচ্ছে।

তিনি আসন্ন নির্বাচনকে কাজে লাগাতে চাইছেন। অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম নির্বাচন, যা ২৮ ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে। এই সুযোগে তিনি জাপানসহ বিদেশি সরকারগুলোকে জান্তার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে এবং তাঁর মায়ের মুক্তির দাবি জানাতে আহ্বান জানাচ্ছেন।

মায়ের প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমাকে এ কাজ করতে হওয়ায় তিনি ভীষণ কষ্ট পাবেন। তিনি সবসময়ই চাইতেন, আমাকে যেন এসবের সঙ্গে জড়াতে না হয়। কিন্তু এই মুহূর্তে আমার কোনো বিকল্প নেই। শেষ পর্যন্ত আমি তাঁর ছেলে। আমি যদি এটা না করি, তাহলে অন্য কারও কাছ থেকেও তা আশা করতে পারি না।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

নৌকা একবার উল্টে গেলে ৫০ বছরেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না-পাশা

রাজারহাট উপজেলা জুড়ে চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের রমরমা বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৬ বছরে শেষ হয়নি রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের  ইউপি সদস্যের দুর্ভোগ

বড়াইগ্রামের ৭ বছরের শিশুর ক্ষতবিক্ষত লাশ পাবনা থেকে উদ্ধার

জানা গেল পরীমণির বিছানায় রক্তের কারণ

নোয়াখালীতে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মে দিবস উদযাপন; আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

বরিশাল-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তাপসের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

বিজিবি’র অভিযানে ১৯কেজি স্বর্ণসহ চোরাকারবারি গ্রেফতার ।

লংগদুতে অর্থনৈতিক শুমারিতে অগ্রাধিকার পায়নি বেকার যুবকরা

পীরগঞ্জে মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন।